Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Poetry

ভবিষ্যৎ

প্রতিদিন অনিশ্চিতে পথ চলা, প্রতিদিন জীবন নামের প্রহসন। প্রতিদিন আশংকাতে পা ফেলা, প্রতিদিন ত্রাসে হয় একবার মরণ। এভাবেই জ্বলবে নিয়ন ঠিক রঙিন, জীবনের থেমে যাওয়া অসম্ভব। এভাবেই হঠাৎ কোন একটা দিন, গলিতে থাকবে পরে আমার শব। - (১৯শে কার্তিক, ১৪২২)

ভাবনার ভাবানাগুলো

ভাবছি শুধুই। ভাবছি বসে আপন মনে, কি ভাবা যায়। ইচ্ছে মত ভাবতে গেলে, দায় রয়ে যায়। অনধিকার চর্চা হবার ভয় রয়ে যায়। বেয়াড়া সব ভাবনা গুলো সীমানা পেরোয় হতচ্ছাড়া, লাগাম ছাড়াই লাফায়, জিরোয়। কোন কিছু ভাবতে গেলে ভাবনা ঘুড়ির সুতো ছাড়ে। হঠাৎ করে গোত্তা খেয়ে মনে ভেতর কষ্ট বাড়ে। এখন থেকে ঠিক করেছি, ভাববো না আর। ভাবার আগে ঠিক করব, কি ভাবা যায়। কোনটা সঠিক, কোনটা বেঠিক। কোন ভাবনার লাগাম আছে, ইচ্ছে মত যায় থামানো। এখন যে তাই, ভাবছি শুধুই। ভাবছি বসে আপন মনে, কি ভাবা যায়।

মাঝে মাঝে...

মাঝে মাঝে আজব সব প্রশ্ন করিস, ভুলেই যাস, উত্তর তোর পছন্দ নয়। মাঝে মাঝে আমায় খুবই অবাক করিস, ভুলেই যাস, অপছন্দ এই বিষ্ময়। মুগ্ধ হয়ে দেখতে থাকি মাঝে মাঝেই। আমিও ভুলি, মুগ্ধতা তোর পছন্দ না। যেটুকু পারি চেপে রাখি মনের ভাজেই, মঝে মাঝে, উপচে পরে সেই ভাবনা।

এই বেশ...

এভাবেই চলতে থাকুক পথচলা, এভাবেই চলুক কথার ফুলঝুরি। এভাবেই জোছনা নামুক, রাত জুড়ে, এভাবেই বৃষ্টি নামুক অঝোরে। এভাবেই ঘুরতে থাকুক তিন চাকা, এভাবেই হাটতে থাকা, পথ ফাঁকা। এভাবেই লিখে চলা ভাবনাটা, এভাবেই গাইতে থাকা, আনমনে। এভাবেই ভালোবাসার রূপ দেখা। এভাবেই ডুবে যাওয়া তোর সনে। 

এই মুহূর্তে...

মাঝে মাঝে মনে হয়, সময় থেমে যাক। এই মুহূর্তটাই আটকে থাকুক অনন্তকাল। পাশাপাশি। থেমে যাক, সব জীবনের কোলাহল, থেমে যাক, মৃত্যুর পদচারণা। থেমে যাক, রোগ, শোক, জরা, ক্ষয়। থেমে যাক, গতি। হাওয়ার খেলা, সাগরের ঢেউ। থেমে যাক, গ্রহ নক্ষত্রের আবর্তন। থেমে যাক, আকর্ষণ, আর দুরে সরে যাওয়া। থেমে যাক, অতীত, বর্তমান, ভবিষ্যৎ, সবকিছু। থেমে যাক, বিশ্বসংসার তার সকল কিছু নিয়ে। মাঝে মাঝে মনে হয়, সময় থেমে যাক। এইখানেই আটকে থাকি আমরা দুইজন। এভাবেই দেখতে থাকি, অবাক বিস্ময়ে, লাজুক হাসি। অনন্তকাল ধরে। পাশাপাশি।

কেন বলি ভালোবাসি বারে বার

ভালোবাসার অনুভূতিটা, উপচে পরার মতই... অনেক বেশি... চিৎকার করে বারংবার নিজের অস্তিত্ব জানান দিতে চায়... দেখিস, তোর মনেও চিৎকার করে। হয়তো, তুই সেটা, মুখে ফোটাস না। তোর মন, তোর প্রাণ, তোর সমগ্র অস্তিত্ব, চিৎকার করে জানান দিতে চায় ভালোবাসি, ভালোবাসি, ভালোবাসি... সবাই তো তোর মত নয়, কাউকে কাউকে এই চিৎকার গ্রাস করে নেয়। দম বন্ধ করা সেই অনুভূতি তখন, চিৎকার করে নিজের অস্তিত্ব জানায়। চোখে, মুখে, কানে, সবখানে। আর তখন, কিছু কিছু মানুষও, বেচে থাকার প্রবল বাসনায়... মৃত্যুর কাছাকাছি সেই অনুভূতির গ্রাস থেকে মুক্তি পেতে বারংবার চিৎকার করে বলে উঠে, ভালোবাসি, ভালোবাসি, ভালোবাসি... আমিও, সেই সাধারণেরই একজন। ভালোবাসার অনুভূতিটা, গ্রাস করার মতই... ভালোবাসার অনুভূতিটা, ডুবিয়ে ফেলার মতই...

পুজারী

পাড়ি দিতে পারি, পৃথিবীর ওই প্রান্তে, যদি সেটা হয়, আপনার উদ্দেশ্যে। হেটে ছুতে পারি, সরে যাওয়া দিগন্ত। যদি সেটা হয় আপনার পাশাপাশি। তবে দেবী, যদি ছোঁয়া যেত তব হাতে, এই হাত... তবে বলতেম, মরিতেও নাহি খেদ... কেউ পূজা দেয়, ভক্তির স্রোত থেকে, কেউ পূজা দেয়, ধর্মের শৃঙ্খলে... আমার পূজা, হৃদয় গভীর হতে, অঞ্জলি দেই, প্রেমের কাব্য ঢেলে...

নয় নম্বর বিকল কপোট্রন থেকে...

মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে, সবাই জানুক... বুকের ভেতর আমার এত সুখ। কেমন করে করছি উপভোগ, ভাবনাগুলো। মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে, সবাই জানুক... কোন কথাটা বুকের ভেতর তুলছে আলোড়ন। কেমন করে, বলছি সেটা। ঠিক তখনই কবিতা হয়, তোকে বলা কথা গুলোই... ঠিক তখনই গান হয়ে যায় তোকে ঘিরে অনুভূতির দল... কলম খাতায় সখ্য বাড়ে, সখ্য বাড়ায় ছন্দ ও সুর ভাবনাগুলো গুছিয়ে যায়, আপনা থেকেই। তোকে ঘিরে আবর্তনে, যন্ত্র থেকে বিবর্তিত আবেগ সহ পূর্ণ মানুষ। কথার ঝুড়ি ফুটতে থাকে, ভাসতে থাকে গানের সুরে মানুষ থেকে মহা-মানুষ, প্রেমের ছোঁয়ায়। অন্য সময়, অন্য খানে, হারায় আবেগ, যান্ত্রিকতায়। নয় নম্বর, যন্ত্র-পুরুষ... সমীকরণ মাথায় আছে, হিসেব আছে, নিয়ম-কানুন সবই আছে, ইচ্ছেও আছে। মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে, নিয়ম ভাঙ্গুক... মানুষ হয়ে যাই পেয়ে তোর, নরম আদর। মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে, সবাই জানুক... চলছে কি এই বুকের ভেতর।

এর চেয়ে বেশি কিছু চাই না

ক্ষণিকের আলাপন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়, সেই সাথে বাড়তে থাকে চেপে রাখা দীর্ঘশ্বাস। যেটুকুই পেয়েছি, লাভের খাতায় জমা হতে থাক। এর চেয়ে বেশি কিছু চাই না। সুখের আড়ালে হতাশারা জমা হতে থাক। স্মৃতির কোঠায় জমে খুচরো সময় সব। হারানোর ভয় আমার অনেক অনেক বেশি। আশার হিসেব সব ওলট-পালট। আড়ালের ভালোবাসা ভারী দীর্ঘশ্বাস হয়ে বুকেই জমে থাক। এর চেয়ে বেশি কিছু চাই না।

পার্থিব সুখেরা

হঠাৎ করেই পরিবর্তন এলো। তবে, আভাস যে ছিলনা তা নয়। প্রত্যাশাও ছিল। তবে, সময়কালটা সব সময়ই, অপ্রত্যাশিত। পার্থিব সুখেরা যখন বিদায় নেয়, অপার্থিব জগতে ডুবে যেতে খুব বেশি কষ্ট হয় না। অপার্থিব কাউকেই কখনও বিমুখ করে না। বিমুখ করতে পারে, পার্থিব সুখেরা। ছায়ার পেছনে ছুটে ফেরা মানুষের দুই জগতের মাঝে আনাগোনাতে কোন বাধা নেই। বিদায় যদি নিতে চাও, একান্তই তবে তা ই হোক। বিদায় হে পার্থিব সুখেরা।

একটা শহর, কিংবা একটা সময়...

আলো ছড়াতে কার্পণ্য করা নিয়ন বাতির দিকে চেয়ে, কারও সাথে সুক্ষ একটা মিল খুঁজে পাই সব বাতিই আধারে জ্বলে, কিন্তু কয়টাকে সুন্দর বলা যায়? অনেক কিছুই হারিয়ে গেছে... প্রচণ্ড চাপের প্রাকৃতিক বাতাসের স্রোতে ডিজেলের ধোয়া অনেক আগেই ভেসে গেছে স্মৃতি-কাতর দীর্ঘশ্বাস তাই ঠোটে উষ্ণতা দেয়া আগুনের সাথে কুণ্ডলী পাকিয়ে মিলিয়ে যায় প্রকৃতির বাতাসে। অনেক কিছুই হারিয়ে গেছে... সেই প্রতিদিনের পাগলের মত আড্ডা, এখন অনেকটাই অনাকাঙ্ক্ষিত সামাজিকতা রক্ষা। বার বার করে যাওয়া ঠাট্টাগুলোও এখন খুব তেতো, স্বাদহীন। মানুষ গুলো, সময় গুলো, এখন আর নেই। অনেক কিছুই হারিয়ে গেছে... চায়ের দোকানগুলো সন্ধে নামতেই জন-বিহীন হয়ে যায়, রাস্তাটাও তারই সাথে তাল মিলায়। স্মৃতির অলি-গলি-ঘুপচি, দুই বাগানের ফাঁকে অকারণ হেটে বেড়ানো পুরনো আড্ডার জায়গাগুলো নেড়ে চেড়ে দেখা কিছু একটা মনে পরতে আনমনে হেসে ওঠা। গলির দিকে অকারণে চেয়ে থাকা। আবারও হারিয়ে যাওয়া সেই গলিতে। অনেক কিছুই হারিয়ে গেছে... শুধু অনুভূতি ভরা স্বপ্নগুলো ঠিকই রয়ে যায়...

অপরাধ...

জীবন আমার, হৃদয় আমার, ভালোবাসার কষ্টও আমার। আবেগগুলো দমিয়ে রাখার ছলচাতুরী, কষ্টগুলো তাচ্ছিল্যে উড়িয়ে দেয়া, নির্দয় সব রসিকতাও, নিজের সাথে নিজেই করি। বিরক্তি তোর, অনেক বিশাল, তুচ্ছ তো নয় আমার মতো। স্বার্থপরের মতো ভাবি নিজের কথাই ক্ষুদ্র মনের, ভাবনা যতো... ভাবার ফাকেই জোরসে ধমক, চমকে উঠে, থমকে পিছাই। ভুলটা বোঝার আগেই আমি অপরাধী স্বীকার করে, হার মেনে যাই। কি প্রয়োজন হারিয়ে ফেলার? ভয় রয়ে যায় মনের ভেতর। পুরোনো সেই কথার খেলা এখন খুবই বিরক্তিকর।

বন মানুষের গল্প

বাগানের পাশেই জঙ্গল, দূরত্বটা শুধু বজায় থাকে মাঝের পরিখা গুলোয়। বাঁদরের দল সেই পরিখার উপরে সাকো বানায়, সেই সাকোতে বাগান আর জংলা মিলে-মিশে একাকার হয়ে যায়। ডালপালা ছড়ানো মহীরুহ, তার পাশের আগাছার চারাগাছ, সবখানেই বাঁদরের উৎপাত। শকটের সুতীব্র চিৎকারে,  ভেঙ্গে চুরমার হয় নীরবতা। তবু, বুনো-ঘ্রাণ মিশে থাকে ধোঁয়াশার কুণ্ডলীতে। পেছনের প্রতীক্ষা ফেলে রেখে, ছেলেটি উল্টো হাটে। শীতল ঠোঁটে উষ্ণতা দেয়, মুঠোয় ভরা, খুচরো পাথর। জালের গায়ে বিচিত্র সব ভাবনা আঁকে। সময় গুলো, কুড়িয়ে পাওয়া। প্রতীক্ষার ব্যস্ততায়, বাঁদরের দল পথে ফেলে যায়। ছেলেটি বেশ যত্ন নিয়েই সে সব কুড়িয়ে বেড়ায়। অখণ্ড অবসরের বুনো জীবনে, সময় কুড়িয়ে সময় কাটে। অসময়ে, কিছুটা সময়, খুচরো... যেগুলো এমনিতেই নষ্ট হয়ে যায়... প্রাণপণে সেটুকুই খুঁজে বেড়ানো, এর চে' বেশি কিছু চাওয়া নেই, নেই কোন প্রত্যাশা। আর থাকার মাঝে, আছে কিছু স্বপ্ন। বন মানুষের বুনো স্বপ্ন। চাইলে, সেটিতে ভাগ আছে তবে দায় নেই। কোন একদিন, হয়তো, কোন অভিযাত্রী খুঁজে পাবে কোন গুহাচিত্র। পুথি-বদ্ধ, আধা ক্ষয়ে যাওয়া ভাবনা গুলো। ভাবনাগুলো, আবারও অমরত্বের...

হারিয়ে ফেলা মানুষ গুলো...

হারিয়ে যেতে চাওয়ার মাঝে - দুঃখ বিলাস, সুক্ষ সুখের ছোঁয়া আছে। হারিয়ে ফেলার অনুভূতি, কোন ভাবেই এমনটি নয়। সবার প্রথম, ধাক্কা লাগে, বিস্ময় আর অবিশ্বাসের। একটু পরে ক্রোধের ঘোরে প্রতিশোধের নেশায় মাতা... নেশার ঘোরে ক্লান্তি আছে, শরীর ও মন, দু'টোই ভুগে, বিশ্রাম চায়... বিশ্রামটা সুখের মত... ঠাণ্ডা মাথায় ভাবতে শেখায় স্বার্থপরের মতই তখন, প্রথম ভাবা নিজেকে নিয়েই। "আমার তবে কি হবে আজ..." "আমিও যদি হারিয়ে যেতাম!...." .... এমনই সব ভাবনার পর "এখন তবে কি করা যায়..." হারিয়ে যেতে চাওয়ার মাঝে, সুক্ষ সুখের ছোঁয়া আছে। হারিয়ে ফেলার অনুভূতি, কোন ভাবেই এমনটি নয়। প্রতি দিনের চলার ফাঁকে, কোথায় যেন তাল কেটে যায়। একটা সময় সেটাও কাটে, নতুন করে বাঁচার শুরু। ফোকলা দাঁতের ফাকার মতন, একলা হয়ে যাওয়ার পরে, নিজের দিকে চাওয়া যখন, শুধুই তখন দেখতে পাওয়া। একা ঘরে, খেতে বসে, সবজীগুলো বাছতে থাকা। কিংবা কোন এক সন্ধ্যায়, একলা হাটা, একলা থাকা। অজান্তেই পথ এড়ানো, অনেক কিছুই লুকিয়ে রাখা.. হারিয়ে যেতে চাওয়ার মাঝে - দুঃখ বিলাস, সুক্ষ সুখের ছোঁয়া আছে। হারিয়ে ফেলার অ...

দেখিস, একদিন তোরাও...

কথা ছিল, তোরাও আমার সাথেই থাকবি। উচ্চকিত স্বরে পাঠ করবি মনের অপ্রকাশিত শব্দ-গাথা। একটু দেরি করে ফেলেছিস কিংবা, হয়তো আমার ছিল ভীষণ তাড়া। তবে, একদিন তোরাও সব ব্যস্ততার অবসান করে, জীবন গুছিয়ে নেয়ার পালা শেষ করে, আসবি অবকাশ যাপনে। তখন দেখবি, সেই পথ আগেই কেউ মাড়িয়ে রেখেছে। তোদের সকল অনুচ্চারিত ভাবনাগুলো, পুথি-বদ্ধ হয়ে আছে। এতদিনের পথ চলার ক্লান্তি তোর কণ্ঠ চেপে রাখবে। পোকায় কাটা পুথির পাতায়, নিজেকে খুঁজবি। শুধু, পোকার পেটের ভুলে যাওয়া অংশ গুলো জোড়া দেবার ক্ষমতা থাকবে না আমার ঘুণে ধরা কঙ্কালের।

অপেক্ষা অথবা ভালোবাসার গল্প...

মাঝে মাঝেই, একটা ফোন কলের জন্য অপেক্ষা করি মাঝে মাঝে বলব নাকি সারাক্ষণ... মথায় হাজার ভাবনারা ঘোরাঘুরি করতেই থাকে সারাক্ষণ সারা দিনে কাজের পরিমাণও কম নয় তবুও চোখের কোনের এলাকাটার মতই আড়ালে থেকেই অস্তিত্ব জানান দেয় সেই অপেক্ষা মাঝে মাঝেই, একটা ফোন কলের জন্য অপেক্ষা করি খুব বেশি যে একা কাটাই, সেটিও নয়। কল আসলে যে খুব বেশি কথা হয় তাও না, এই সব... সাধারণ... দৈনন্দিন... মাঝে মাঝে, সাথে থাকে নিমন্ত্রণ, ছুটে যাই। খুব যে বেশি উল্লাস হয়, সেটিও নয়। আড্ডা-আলোচনাও হয়, তবে খুব বেশি নয়, মিনিট পনের কি আধ ঘণ্টা... প্রেমালু ভঙ্গিতে কথা হয় না, হয় না নেয়া সব রকমের খোজ খবর। কথা হওয়া, দেখা হওয়ার অপেক্ষায় থেকে যেটা হয়, সেটা তর্ক অথবা ঝগড়া, অবশ্যম্ভাবী। সারাক্ষনই, একটা ফোন কলের জন্য অপেক্ষা করি...