Skip to main content

Posts

Showing posts with the label গান

Lost Lullaby

যদি হঠাৎ রাতে, যায় ভেঙ্গে ঘুম, দেখ, আমি নেই পাশে যদি আকাশ পানে, চেয়ে অকরণে চোখে, অশ্রু জমে আসে... জেনো, পাশেই আমি, হয়ে চোখের পানি, ঘুমপাড়ানি গান গাই। ঘুমোও সোনা, ঘুমোও তুমি যদি, ঘুম না আসে, গভীর রাতে, তুমি দাড়িও জানালায়। যদি বইলে হাওয়া, আমার কথা মনে পরে যায়... জেনো, রাতের হাওয়া হয়েই আমি, ছুঁয়ে যাই তোমায়... ঘুমোও সোনা, ঘুমোও তুমি...

পাঁচ মিনিট

জীবন মানে, অফিস শেষে, ছুটে ছুটে বাড়ী চলা।  জীবন মানে,  মনের মানুষ, পাশে বসে, কথা বলা।  অথবা,  পাঁচ আঙ্গুল ভরা  সোহাগ দিয়ে মাখানো নলা।  অথবা,  গুন-গুনিয়ে,  ঘুমপাড়ানি গান, মৃদু গলা।  অনেক সময় ধরে অপেক্ষা করে,  এভাবে জীবনের ছোঁয়া পাওয়া।  এভাবেই দিন, কাটে প্রতিদিন,  প্রতিটা মানুষেরই একই চাওয়া।  আমার জীবনটার, পাঁচ মিনিট।  আমার সময়টা, পাঁচ মিনিট।  জীবন মানে,  ভাজ ভাঙ্গা শার্ট, আরেকটু যত্নে কাজল টানা।  জীবন মানে,  দিব্যি মাথার, আর যে সিগারেট খেতে মানা।  অথবা,  পথে থেমে হঠাৎ,  বেলীর মালা মুঠোয় পকেট মাখা।  অথবা,  সেই উপহারেও,  খুশি চেপে নির্লিপ্ত থাকা।  অনেক সময় ধরে অপেক্ষা করে,  এভাবে জীবনের ছোঁয়া পাওয়া।  এভাবেই দিন, কাটে প্রতিদিন,  প্রতিটা মানুষেরই একই চাওয়া।  আমার জীবনটার, পাঁচ মিনিট।  আমার সময়টা, পাঁচ মিনিট।  ছোট ছোট,  মুহুর্ত হলেও, জীবন জুড়ে আশা, ফিরে পাবার।  কুড়িয়ে পেতে,  যতন করে, মুহুর্তগুলো জমিয়ে নেবার... আমার জী...

পরিবর্তন

জীবনের মোড়ে এক, আশ্চর্য পরিবর্তন ছক বাধা পথ চলায়, হঠাৎ এক ছন্দপতন।। হঠাৎ করেই সব এলোমেলো হয়ে গেল হঠাৎ করেই সব সাদা-কালো রঙে রঙিন হল।। ভাষাহীন জীবনে আজ, লেগেছে, সুরের ছোঁয়া জীবনের কষ্ট গুলো আজ হচ্ছে সাফ, যেন বৃষ্টি ধোয়া।। মনের কোন কোনে আশার আলো, পথ যে দেখায় নতুন জীবন গড়ে আমায় সে যে বাচতে শেখায়।। হঠাৎ করেই দেখি জীবন আমার বদলে গেছে আধার কোন হতে সে যে আলোর দেশে পৌঁছে গেছে বুঝতে পেরেছি আমার হয়েছে যে কি... বুঝতে পেরেছি, ভালোবাসতে শিখেছি... - পল্লব, ১২ই শ্রাবণ, ১৪০৭। 27th July, 1999.

One Night's Tale

আজ রাত্রিটা বড় নিঝঝুম লাগছে, থেকে থেকে কারা যেন গুমরে কাঁদছে। ঐ আকাশে এক ছোট্ট তারা, এই মাটিতে এক ছন্নছাড়া। আমি যেন এক ভবঘুরে হায় জমে থাকা স্মৃতির বোঝা গুমরে কাঁদায়। ঐ যে দেখা যায়, নিশাচরের যাত্রা রাতের কালো আধারটা আজ ছাড়িয়েছে মাত্রা। আমি যেন আজ শুধুই একাকী আধার মাঝে বসে বসে ভাবছি যেন কি... রাতের একটা ফুল সৌরভ ছড়ায় নিজেকে কেন, স্মৃতিতে জড়ায় এখন যে আর যায় না দেখা কোন সীমান্ত আধার মাঝে মিলিয়ে গেছে যেন দিগন্ত। আজ রাত্রিটা, ঘোর আমাবস্যা হঠাৎ করে নেমে এলো রিমঝিম বর্ষা। কয়েকটা তারা, মিটিমিটি জ্বলছে বাঁশের বনে ফিসফিসানি কথা যে চলছে। আমিও যে এক পথহারা মুসাফির দিনের বেলা পথের মাঝে লক্ষ লোকের ভিড়। দিনের পথ চলা, রাতের কথা বলা আমার মনের কোন কথায় নেই কোন ছলকলা। ভুলে গেছি কখন কবে ছেড়েছিলাম ঘর, পথই এখন আপন আমার ঘর যে আমার পর। কার খোজে যে ছেড়েছিলাম আপন ঠিকানা এখন আমি বুনো পাখি রয়েছে ডানা। -পল্লব, ২১শে জানুয়ারি, ২০০০।

ফুলবাড়ীর চেম্বার

অনেক আগের নিজেদের আড্ডা নিয়ে লিখা। তবে শেষ হবার আগেই কোন এক জন্মদিনে এক বন্ধুর উপর এক রাশ অভিমানের সম্পুর্ন ছাপ পরে গিয়েছিল। বাকি সবাই মিলে ঐ দোস্তকে বিশাল ঝাড়ি দেবা হইসিল। তবে সেই বন্ধুবর এখনও বর্তমান। আর বাকিরা কালের স্রোতে অনেকটাই ফিকে। ফুলবাড়ীর চেম্বার, আমিও যে মেম্বার কলেজের স্বর্নালী দিন। সিগারেট হতে ধরে, চুটিয়ে আড্ডা মেরে দেখে যাই স্বপ্ন রঙ্গিন। কখনো বা সক্কাল কখনো ভর দুপুর, কখনো পড়ন্ত বিকেল। আমরা মিলে সবাই, হিসেব মিলিয়ে যাই ক'টায় এবার হবে ফেল। বহু বিল পাশ হয়, আমাদের আড্ডায় সবাই তো কথা রাখে না। ও যদি না রাখে আমি কেন রাখব এই তো, সবার ধারনা। অপমান অবিচার মানুষ, না গণ্ডার!!! কেউ কিছু গায়ে মাখে না। প্রটেস্ট করতে গেলে সক্কলে মিলে বলে, "ও কাজ ভুলেও কোরো না"। পাশ হয় কত বিল যার সাথে বেশি মিল সেই তো রাখে না কথা একটু জনপ্রিয়তা কে না পেতে চায় কেউ পায়, পাক না, ব্যাথা। কারো মুখে সারাক্ষন চেনা সেই অঞ্জন ভরসা পাচ্ছি না কোন। কিন্তু বন্ধু হায়, জানতে যে মন চায়।   (তোর) ভরসা কি ছিল কখনো। এই তো, আড্ডাটা তবুও য...

স্বীকারোক্তি

আমার মুখের ভাষা আবোল-তাবোল, ইচ্ছেমত দেয় মনে দোল, বুকের চাওয়া- সুর বসিয়ে গান বানিয়ে যায়। আমার কলম-খাতায় অশ্রু ঝরে, কখনোবা ক্রোধের আগুন, কখনোবা মেতে উঠি রং-রসিকতায়। কেউবা আমায় পাগল বলে, কেউবা বলে ভণ্ড শুধুই। কেউবা আবার বুক ভরিয়ে দেয় ভালোবাসায়... কেউবা আবার অপমানে, প্রতিযোগী আমায় মানে, কেউবা হতে আমার মতন, বুক বাঁধে আশায়... আমি সত্যি বলি এতো জটিলতা তো নেই আমার মাঝে, খুব সাধারণ, সবার মতন আমার জীবনকাল। আমার কষ্ট পেলে কান্না আসে, সুখের ছোয়ায় হেসে উঠি, বুক চিড়ে দ্যাখ, আমার দেহের রক্তটাও লাল। মাঝেমাঝে কেউ কখন ছোঁয়ায় ভেবে বসে, সামনে রেখে দেয় যে টেনে সীমানারই দাগ। আবার একই কারণে কেউ কেউ অকারণেই কাছে টানে, অবলীলায় দেয় দিয়ে যে তার সুখেরই ভাগ। আমার চাওয়া-পাওয়ার ফারাক আছে, খুবই সহজ ভাবনা যেন, সব বলে দেই কথার ভাজে, দেখাইনা ভণিতা কোন। ভানকে আমার মিথ্যে লাগে, পাপী মনে হয় নিজেকে... কষ্ট পেলেও সত্য বলি, যে যাই ভাবে ভাবুক লোকে... কেউবা আমায় পাগল বলে, কেউবা বলে ভণ্ড শুধুই। কেউবা আবার বুক ভরিয়ে দেয় ভালোবাসায়... কেউবা আবার অপমানে, প্রতিযোগী আমায় মানে,...

লব্ধ...

কথা-ঝুরির, আড়ালে প্রেম নিবেদন। লুকোচুরি, কথার ভাজে হয়না এখন।। নীল শাড়ি, তোকে দেখা হয় না আমার। চতুর্দিক, সর্ষে ফুল দেখি হাজার বার।। হাড্ডিসার আমার দেহে চর্বির স্তর জমে বয়েস বাড়ার, আতঙ্কে মন হয়ে থাকে থমথমে।। সেই সময়, সন্দেহ আবারও মনে ডানা মেলে, সেই ভালোলাগাটায়, ডুবেই আছি আমি আজও কি মনের ভুলে।। তিন চাকার আশ্রয়ে আলাপন। দুষ্টুমি করা হয় না আর ইচ্ছে মতন। টোল-টি তোর, দেখা হয়ে উঠে না আর। আকর্ণ বত্রিশ পাঠি দেখি চারিধার। হাড্ডিসার আমার দেহে চর্বির স্তর জমে বয়েস বাড়ার, আতঙ্কে মন হয়ে থাকে থমথমে।। সেই সময়, সন্দেহ আবারও মনে ডানা মেলে, সেই ভালোলাগাটায়, ডুবেই আছি আমি আজও কি মনের ভুলে।। গানের ছল, আরেকবার আসা কাছে তোর। মজার ফাঁকে, গছিয়ে দেয়া, পুরনো খবর। প্রত্যাখ্যান, ঠাট্টা-ছল, থাকে ভালোই মন। মর খারাপ বিদায় নেবার পর-ক্ষণ। হাড্ডিসার আমার দেহে চর্বির স্তর জমে বয়েস বাড়ার, আতঙ্কে মন হয়ে থাকে থমথমে।। সেই সময়, আরেকবার বোধোদয় হয় আমার, সেই ভালোলাগাটা, কাটিয়ে ওঠা এক অসম্ভব ব্যাপার।।

রামুর স্মৃতি

পোড়া ঘরগুলো দাড়িয়ে গেছে আবার, শুকায়-নি ক্ষত পুড়িয়ে দেয়া মনের... এটাই কি তবে শেষ নাকি সবে শুরু, এই প্রশ্নটা ঘরপোড়া লোক-জনের। প্রতিবাদে সব ফেটে পড়েছিল ঠিকই, প্রতিবাদেই তারা আত্মতৃপ্তি পায় প্রতিবাদ শেষে ভুলেছেও সব দ্রুত, প্রতিবাদ শুধু নিষ্ফলা রয়ে যায়। পুড়েছে রামু, পুড়েছে কিছু পুথি, ভেঙ্গেছে প্রাচীন নিদর্শনও কিছু। নিশ্চিন্তে ভুলে গেছি সেই সব কথা, দানবটা যদিও এখনও ছাড়েনি পিছু।

অসমাপ্ত গান

চলতি পথে থমকে দাড়ায়, দু' চোখ বেয়ে রক্ত গড়ায়, চোখের পানি বহু আগেই শুকিয়ে গেছে তার। ভাবনা গুলো আগের মত, বাধে না আর কোনই সুতো, হঠাৎ করেই বাচতে চাওয়া, বিদ্রোহী আত্মার।। ছেলেটা খুঁজে যায় সে-সময় বারে বার, ছেলেটা পেতে চায়, অতীতটাকে আবার। বাড়ছে খরচ বেচে থাকার, গতি বাড়ছে জীবন চাকার, কমছে শুধু মানুষ হয়ে বাচার অঙ্গীকার। পায় যে ভয় আজ দেখতে আকাশ, শুকতে শিশির ভেজা বাতাস, হয়ে গেছে সবকিছু আজ নষ্টর অধিকার। ছেলেটা খুঁজে যায় সে-সময় বারে বার, ছেলেটা পেতে চায়, অতীতটাকে আবার।

প্রজ্ঞা

আমার ঘরের দেয়াল পড়োপড়ো, দরজাগুলো ঘুনে খাওয়া, খুটিটাও নড়োবড়ো। আমার চারিধারে কেউ থাকেনা, জায়গাখানি খারাপ বলে। আমার ঘরের পিছে অতল দিঘী, সেই জলেতে আগুন জ্বলে।

ভিতরের কেউ

I don’t know, but I guess … this would be the last song I ever wrote and this could be the last song I’ll ever play. ---------------------------------------------------------------------------------------------------- ভিতরের কেউ Intro (Em---Em G-Am C - G-C) যখন খুজছ কিছু একটা ... যার কোথাও দেখা নেই। আর খুজে পাবার আশায় – পায়ে পায়ে পেছাচ্ছ যেই...

কথা...

আমার গোপন কিছু কথা জমাট, বুকেরই ভিতর, তোকে বলব, তুই শুনিস, দু’চোখ বন্ধ করে তোর। তবু অশ্রু যদি আসে চোখে, আমায় দেখাস না, তোর চোখে পানি দেখলে আমার বলা হবে না।

দিন

দুচোখ বুজে রেখে তোকে কল্পনা তোকে বলব বলে, নকশীকথা বোনা এভাবেই ব্যস-তায় কেটে যায় আমার দিন ॥ কখনও অলস কোণ দুপুর বেলা জলে আঙ্গুলে জলছবির খেলা তোর ঠোটের কোণের মৃদু কাঁপন দেখে হৃদয়ে প্রবল আলোড়নেরই দিন ॥ হঠাৎই তোর বাঁকা চাউনি মরীচিকার মতো দেয় হাতছানি সাহস নিয়ে চোখে রাখা চোখ কি ভাবছিস যে তুই কি ভাববে যে লোক, ভাবার দিন ॥

চলে যাবার গান

অর্বাচিনের স্বপ্নসখার গান... কথা ও সুরঃ পল্লব ======================== আর হবে না তো যে, চেনা মোড়গুলোতে হঠাৎ দেখা। চলে যাব যে বহুদুর, চলে যাবই যে একদিন। ছোট ছোট কত কথা পড়বে তখন যে মনে তোর এলোমেলো স্মৃতি হয়ে করব খেলা তোর ভেতর খুজবি আনমনে, তবু পাবি না তো দেখা আর মনের গোপনে, আশা রবে তবু আবার দেখার অসময় কোন দুপুরে হঠাৎ হয়ে যাবি আনমোনা কখনও অবাক হয়ে খুজবি কারণটা অজানা হয়তো বুঝবি কোনদিন, কেন বিষন্ন লাগে সরাক্ষন আরো খুজবি আমাকে, তোলপার করবি তোর চেনা ভুবন এরপর, কোন বিকেলে, আড্ডাট জমে উঠবে আবার। নেই আমি, ঠিকই অন্য কেউ রকে বসে করবে দিন কাবার এরও পর, আমার স্মৃতি, ফিকে হয়ে আসবে কোনদিন ভুলে যাবি তুই আমায়, আবারও হয়ে উঠবি তুই রঙ্গিন। আর হবে না দেখা, হারিয়ে যাবে যে স্মৃতি থেকেও চলে যাব যে বহুদুর, চলে যাবই যে একদিন মুছে যাবে যে আমার স্মৃতি, মুছে যাবেই যে একদিন ভুলে যাবি যে তুই আমায়, ভুলে যবিই যে একদিন হয়তো, পড়বে মনে, এই গান আমার, কোন বিশেষ দিনে॥ ==============================

মুগ্ধতার গান

আমার জগৎ জুড়ে আলোর রেখা, ইচ্ছে মতোন বাঁচতে শেখা... নেই লুকোন মনের ভেতর গোপন কোন পাপ... তুই ইচ্ছে-খুশি নামেই ডাকিস, দঃখ দিতেই ব্যাস- থাকিস, গায়ে মাখি না, ভালবেসে, দিস যে অভিশাপ। আমার ছোট্ট ছোট্ট স্বপ্ন দেখা, স্বপ্ন নিয়েই বাঁচতে শেখা... উড়িয়ে দিতে সবই হেসে, জুড়ি যে নাই মোর। আমায় তবু পাস না তো ভয়, করতে চাস এ হৃদয় বিজয়... ঠোটের কোনের আলতো হাসির অস্ত্র দিয়ে তোর। তোকে ইচ্ছে মতো জ্বালাই আমি, মাঝে মাঝে একটু থামি... যখন তোর ঐ চোখের কোনাটা মেঘলা দেখা যায়। তোকে দঃখ দিতে দুঃখ লাগে, হাসতে দেখার ইচ্ছে জাগে, তাই নির্দ্বিধায়ই নেই মেনে তোর অনুযোগের দায়। আমার আকাশ জুড়ে মেঘের ভেলা, হাজার রূপে করছে খেলা। রঙের খোজেই আমি; আরো রঙ্গিন হতে চাই। তুই সঙ্গী হয়ে পাশেই থাকিস, হাজার প্রশ্নে ব্যাস্ত রাখিস... বন্ধু বলেই জবাব দিতে ক্লান্তি আমার নাই।