বেশ কিছুদিন আগে, একবার অনেকটা সময় ঢাকায় থাকতে হবেছিল। আমি চিরকালই আড্ডাবাজ। তাই আড্ডাটা খুব মিস করতাম। তো, সেই পরবাস, ঢকাকা থাকা অবস্থায়, ফুলবাড়ীর চেম্বারের বন্ধুদের কাছে লিখা চিঠির একটা ড্রাফট আজ পেলাম। বন্ধু গোলের অনেকেরই খবর নাই। তবে, এই চিঠিটা পাঠিয়েছিলাম, এবং পরে ফেরত গিয়ে, সমনা-সমানিই চিঠির জবাব শুনেছিলাম। স্মৃতি, দারুন একটা জিনিস। আবার ফিরে যাচ্ছি সেই অতীতে। নিজের অতীর রুপ দেখে নিজেই অবাকও হচ্ছি। পরবাসের বিষণ্ণ বিকেলে, স্মৃতির ভীরে গুমরে কাঁদে মন। সন্ধ্যে-সকাল সকল কাজের ফাঁকে পায় সে খুঁজে ঘরের নিমন্ত্রণ। চলতি পথে হঠাৎ থমকে যাওয়া ঘরের সাথে একটুকু মিল পাওয়া একটু পরেই ভুল বুঝতে পারি, আবার আমি চলতে শুরু করি। ঘরের স্মৃতি ভাবায় না ততোটা সখার জন্যে কাঁদে যতো মন। বহুদূরের চেনা সে আড্ডাতে বসে আছে বন্ধু মোর আপন। পরবাসের আবোল তাবোল কথা মনের মাঝে জমাট স্মৃতির ব্যথা, বহুদূরে দিগন্তের ঐ রেখা ঐখানে কি আছে আমার সখা? মাতাল হওয়ায় মাতাল সবাই আজ, আমিই শুধু বিরতিহীন কাজ। কাজের মাঝে ভুলে থাকি স্মৃতি, তবুও কাঁদায় আপন বন্ধু প্রীতি। অনেক কথাই হচ্ছে মনে জড়ো ধীরে ধীরে পত্রটা ...
It's a journal of the things (with a twisted point of view) as I watch and find amusing.