Skip to main content

হারিয়ে ফেলা মানুষ গুলো...

হারিয়ে যেতে চাওয়ার মাঝে -
দুঃখ বিলাস, সুক্ষ সুখের ছোঁয়া আছে।
হারিয়ে ফেলার অনুভূতি, কোন ভাবেই এমনটি নয়।

সবার প্রথম, ধাক্কা লাগে, বিস্ময় আর অবিশ্বাসের।
একটু পরে ক্রোধের ঘোরে প্রতিশোধের নেশায় মাতা...
নেশার ঘোরে ক্লান্তি আছে,
শরীর ও মন, দু'টোই ভুগে, বিশ্রাম চায়...

বিশ্রামটা সুখের মত...
ঠাণ্ডা মাথায় ভাবতে শেখায়
স্বার্থপরের মতই তখন, প্রথম ভাবা নিজেকে নিয়েই।

"আমার তবে কি হবে আজ..."
"আমিও যদি হারিয়ে যেতাম!...."
....
এমনই সব ভাবনার পর
"এখন তবে কি করা যায়..."

হারিয়ে যেতে চাওয়ার মাঝে, সুক্ষ সুখের ছোঁয়া আছে।
হারিয়ে ফেলার অনুভূতি, কোন ভাবেই এমনটি নয়।

প্রতি দিনের চলার ফাঁকে, কোথায় যেন তাল কেটে যায়।
একটা সময় সেটাও কাটে,
নতুন করে বাঁচার শুরু।

ফোকলা দাঁতের ফাকার মতন,
একলা হয়ে যাওয়ার পরে, নিজের দিকে চাওয়া যখন,
শুধুই তখন দেখতে পাওয়া।

একা ঘরে, খেতে বসে, সবজীগুলো বাছতে থাকা।
কিংবা কোন এক সন্ধ্যায়, একলা হাটা, একলা থাকা।
অজান্তেই পথ এড়ানো, অনেক কিছুই লুকিয়ে রাখা..

হারিয়ে যেতে চাওয়ার মাঝে -
দুঃখ বিলাস, সুক্ষ সুখের ছোঁয়া আছে।
হারিয়ে ফেলার অনুভূতি, কোন ভাবেই এমনটি নয়...

মাঝে মাঝেই ইচ্ছে করে,
হারিয়ে যেতে...

Comments

Popular posts from this blog

জেনারেশন গ্যাপ

জেনারেশন এ পরিবর্তন আসে অবশ্যম্ভাবী হয়ে। এর কোন ব্যতিক্রম নাই। কেউ চাক বা না চাক এই প্রক্রিয়া চলবেই। ভাল লাগুক বা মন্দ লাগুক কেউ সময় কে থামাতে পারবে না। এর মধ্যে বিতর্ক এসে যায় ভাল পরিবর্তন আর মূল্যবোধের নিম্নগামীতা নিয়ে। কিন্তু আমি সেসব নিয়েও কথা বলছি না। আমি বলছি কারণ যুগে যুগে সব মানুষের অপ্ত বাক্য ‘ দুনিয়াটা রসাতলে গেল ’। আমার দাদা আমার দাদী কে ভীষণ ভালোবাসতেন এবং তার মৃত্যুশোকে সন্ন্যাসী হন। তিনি তখন অবশ্য ছিলেন যুব-সমাজ রসাতলে যাবার অন্যতম উদাহরণ। এখন অবিশ্বাস্য লাগতেই পারে কিন্তু তখন কেউ তাকে ছেড়ে কথা বলেনি। আমার বাবা রবীন্দ্র সঙ্গীত এর ভীষণ ভক্ত ছিল কিন্তু তার সময় এটা ছিল সঙ্গীত এর নামে অশ্লীলতা। আব্বুকেও সিনেমা হলে সিনেমা দেখাতে যাবার জন্য অসংখ্যবার শুনতে হয়েছে যুব-সমাজ রসাতলে গেল। এসব সিনেমা কে এখন আমরা আর্ট পিস এর সম্মান দেই। এখন সবার গা-জ্বালা করা একটা সর্বনাম হল ডিজুস জেনারেশন বা আধুনিক ইয়ো পোলাপান। সবার মত অনুযায়ী তাদের কোন শেকড়ই নাই এবং এরা অন্ধভাবে পশ্চিমা সভ্যতা অনুকরণ ও অনুসরণ করে। কিন্তু সময় যখন সব বদলায় তখন সময় এর সাথে যুদ্ধ করা; আমি ঠিক কিন্...

দুঃসময় বা দুঃস্বপ্নের সময়...

কেন যেন মনে হচ্ছে দুঃস্বপ্ন দেখছি, আর প্রচন্ড অসহায় হয়ে চাচ্ছি, কেউ আমার ঘুমটা এক ঝটকায় ভেঙ্গে দিক। দুঃস্বপ্নের শুরু মায়ের অসুস্থতা দিয়ে। এখান ওখান করে শেষ পর্যন্ত কুর্মিটোলা হাসপাতালে পৌছালাম, ইমারজেন্সি-তে ওদের প্রশ্নের জবাব দিতে দিতেই মেইল এল, আম্মার COVID-19 পজিটিভ। সব ভয় ভুলে, চলে গেলাম রোগি ভরা ওয়ার্ডে, বেডে শুইয়ে দিলাম, ডায়ালাইসিস করে দিলাম। চলে আসার সময়, একবার মনে হল, এর পর আর দেখা হবে না। দু'দিন পর, ICU তে যায়গা পাওয়ায়, একটু নিশ্চিন্তে অফিসের একটা মিটিং এ জয়েন করলাম। মাঝামাঝি সময় ফোন এল, আম্মু সব চিকিৎসার বাইরে চলে গেছে, আম্মুকে নিয়ে আসতে হবে। সেদিন সেপ্টেম্বরের ৩০, ২০২০। ঈদের আর দুদিন বাকি। পরদিন বানানি কবরস্থানে মাটি চাপা দিলাম। সেই সময় প্রচন্ড বৃষ্টি, আগের দিন থেকেই স্বাভাবিকভাবেই চলছিলাম, কিন্তু কেন যেন এখন আর পারলাম না, সকল আত্মসংযমের বাধ ভেঙ্গে চুরে, বুকের ভেতরটা দুমড়েমুচড়ে কান্না এল।  বৃষ্টির পানি, মুখের মাস্ক, পিপিই সব মিলে সেই চোখের পানি লুকিয়েই ছিল হয়তো, খেয়াল করা হয়নি। বা সেই অবস্থায় ও ছিলাম না।  এর পর ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন, বাসার সবার। এর মাঝেই বাবার পাতলা পায়খা...