জেনারেশন এ পরিবর্তন আসে অবশ্যম্ভাবী হয়ে। এর কোন ব্যতিক্রম নাই। কেউ চাক বা না চাক এই প্রক্রিয়া চলবেই। ভাল লাগুক বা মন্দ লাগুক কেউ সময় কে থামাতে পারবে না। এর মধ্যে বিতর্ক এসে যায় ভাল পরিবর্তন আর মূল্যবোধের নিম্নগামীতা নিয়ে। কিন্তু আমি সেসব নিয়েও কথা বলছি না। আমি বলছি কারণ যুগে যুগে সব মানুষের অপ্ত বাক্য ‘ দুনিয়াটা রসাতলে গেল ’। আমার দাদা আমার দাদী কে ভীষণ ভালোবাসতেন এবং তার মৃত্যুশোকে সন্ন্যাসী হন। তিনি তখন অবশ্য ছিলেন যুব-সমাজ রসাতলে যাবার অন্যতম উদাহরণ। এখন অবিশ্বাস্য লাগতেই পারে কিন্তু তখন কেউ তাকে ছেড়ে কথা বলেনি। আমার বাবা রবীন্দ্র সঙ্গীত এর ভীষণ ভক্ত ছিল কিন্তু তার সময় এটা ছিল সঙ্গীত এর নামে অশ্লীলতা। আব্বুকেও সিনেমা হলে সিনেমা দেখাতে যাবার জন্য অসংখ্যবার শুনতে হয়েছে যুব-সমাজ রসাতলে গেল। এসব সিনেমা কে এখন আমরা আর্ট পিস এর সম্মান দেই। এখন সবার গা-জ্বালা করা একটা সর্বনাম হল ডিজুস জেনারেশন বা আধুনিক ইয়ো পোলাপান। সবার মত অনুযায়ী তাদের কোন শেকড়ই নাই এবং এরা অন্ধভাবে পশ্চিমা সভ্যতা অনুকরণ ও অনুসরণ করে। কিন্তু সময় যখন সব বদলায় তখন সময় এর সাথে যুদ্ধ করা; আমি ঠিক কিন্...
প্রতিদিন অনিশ্চিতে পথ চলা, প্রতিদিন জীবন নামের প্রহসন। প্রতিদিন আশংকাতে পা ফেলা, প্রতিদিন ত্রাসে হয় একবার মরণ। এভাবেই জ্বলবে নিয়ন ঠিক রঙিন, জীবনের থেমে যাওয়া অসম্ভব। এভাবেই হঠাৎ কোন একটা দিন, গলিতে থাকবে পরে আমার শব। - (১৯শে কার্তিক, ১৪২২)
বেশি ছুড :-|
ReplyDeleteমেঘ এসে রোদ ঢাকে
ReplyDeleteধুলোঝড় বয়ে যায়
পথহারা প্রান্তরে
পদধূলি মুছে যায়
কাঠফাটা রোদ্দুর
যাবে তুমি কদ্দুর
বেলাশেষে ভিনদেশে
থেমে যাবে চেনাসুর