Skip to main content

Posts

Showing posts with the label Views

কিছু জরুরী বিষয়ে ফালতু কথা...

যখন ছোট ছিলাম, একটা কথা প্রায়ই শুনতাম, "মুসলমান মুসলমান ভাই ভাই"। ইদানীং দেখছি, কিছু মানুষ আরেকটা কথা চালু করছে "নাস্তিক নাস্তিক ভাই ভাই"। কেমন যেন সিমিলার টাইপ কথা !!! আমার গলা আজন্ম নিচু ছিল। মাঝে মধ্যে তবু বড় গলায় কয়েকটা কথা বলে ফেলেছি। কিছু মানুষের সেই আবোল-তাবোল কথা ভালো লেগে গেছে, এখন, তাদের সাথে কথাবার্তা চলে। কিন্তু হঠাৎ করেই দেখি, আমার ফ্রেন্ড-লিস্টে পুরা ৫০১ জন মানুষ!!! এদের অনেকের নামেই দেখি "Atheist", "নাস্তিক" ইত্যাদি অনুসর্গ-উপসর্গ যোগ করা। তারা আমাকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছেন, এটা জেনে যে আমি ধর্মে বিশ্বাস করি না। ভাই বলেও ডাকেন। কেমন যেন "নাস্তিক নাস্তিক ভাই ভাই" টাইপ লাগে। অনেকে আবার ঘোষণা দিয়ে মুসলমান থেকে নাস্তিক হয়ে যান এবং তা প্রমাণ করতে, ঘোষণা দিয়ে শুকরের মাংস খান। তাদের বক্তব্য, সৃষ্টির আদিযুগ হতে, মানুষকে শোষণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যাবহার করার জন্যই ধর্মের প্রবর্তন করা হয়েছে। ব্যাপারটা নিয়ে আমার নিজস্ব একটা দৃষ্টিভঙ্গি আছে, কিন্তু সেটা পরের বিষয়। তারচে কাছের বিষয় হল, বক্তব্যটির প্রথমাংশ- "...

প্রতিবাদ সমাবেশ

গত ১ সপ্তাহ ধরেই চলছে জ্বালাতন। নাকি ১ মাস?... প্রতিদিন দুবেলা এস,এম,এস, আর ফেসবুকে পোস্টিং, মেইল, ইত্যাদি, ইত্যাদি... বিরক্ত হয়ে ভাবি, কোন দুঃখে যে নাম লিখেছিলাম খাতায়! যাবো না সেটা আগে থেকেই জানি, আমার অতো ফালতু সময় নেই, অফিস আছে। কিন্তু ওরা তো ছাড়ছেই না। যেতে অবশ্য হবে ঐ এলাকায়, অফিসটাও যে কেন এই এলাকাতেই পড়ল সেটাই ভাবছি। দুত্তরি লোডশেডিংও আর সময় পেল না, সেই সকাল থেকেই চলছে। জেনারেটরটাও হাল ছেড়ে দিয়ে বিকল। তাও যদি একটু শান্তি থাকতো। পাশেই মাঠে চলছে মাইকিং। আমার প্রচণ্ড শব্দে মাথা ধরে আছে। আচ্ছা... ওদের ব্যাটারি শেষ হয় না? তারস্বরে একজন সেই সকাল থেকেই চেঁচাচ্ছে "আসেন ভাইয়েরা, আমাদের এই প্রতিবাদে দলে দলে যোগ দিন... যোগ দিন দলে দলে... সফল করুন...."। গলা ব্যথা করে না?

উত্তপ্ত মস্তিষ্কের বিকৃত চিন্তা ও ওর্বের ক্ষোভ দমন

আগে আমাকে আমার অনেক আস্তিক বন্ধু মাঝে মাঝেই প্রশ্ন করত, আমি কেন নাস্তিক। উত্তরে আমি সব সময়ই পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিতাম, তুই কেন আস্তিক। প্রতিবারই অদের উত্তর ঘুরে ফিরে এক জায়গায় এসে দাঁড়াত, "আমার বিশ্বাস স্রষ্টা আছেন।", তখন আমিও হাসতে হাসতে বলতাম, "আমারও বিশ্বাস কেউ নেই"। কেউ কেউ এখানেই থেমে যেত, কারও উৎসাহ আরও বেশি ছিল, তারা জানতে চাইত, "কেন আমার বিশ্বাস কেউ নাই" অথবা, "কেন আমার এমন বিশ্বাস হল"। আমি তখন আবার পালটা প্রশ্ন ছুড়তাম, "তোর/তোদের কেন বিশ্বাস কেউ আছে"। অদের উত্তর হত, "জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে এসে তাদের মাঝে এই উপলব্ধি হয়েছে, যে সত্যিই কেউ আছে", অথবা, "এই মহাবিশ্ব, এই বিশাল/সুবিশাল জগৎ, এটা চলছে, এর ভাঙ্গা-গড়া, এসব দেখে তাদের উপলব্ধি হয়েছে, যে কেউ না থাকলে এটা চলত না বা সৃষ্টি হত না"। তখন আমি আবার জবাব দিতাম "জীবনের এই পর্যায়ে এসে আমার উপলব্ধি হয়েছে, যে সত্যিই কেউ নাই" অথবা, "এই মহাবিশ্ব, এই বিশাল/সুবিশাল জগৎ, এটা চলছে, এর ভাঙ্গা-গড়া, এসব দেখে আমার উপলব্ধি হয়েছে যে, এর জন্য কারও প্...

অর্বাচীনের দিনপঞ্জি...

অনেকদিন ধরেই ভাবছি, কি করা যায়, কি লিখা যায়। সহস্র চিন্তা মাথায় ভর করলে কোনটাই প্রকাশ করা হয়ে উঠে না। কিন্তু ভেতরে ভেতরে একটা অস্থিরতা কাজ করছে। কিছু একটা করা খুব খুব খুব প্রয়োজন, এখনই সময়। কিন্তু কিসের সময়? অনেক কিছুই ঘটছে আশেপাশে। কোনটা রেখে কোনটা ধরি। একটা নদী তিতাস, তার গল্প, নাকি এক স্বামীর গল্প যে তার স্ত্রীর হাত কেটে দিয়েছে। নাকি কিছু ছাগলের স্বাধীনতা নিয়ে মাৎকার, নাকি টিপাই-মুখ... সেইসাথে একটা ভাবনা কাজ করছে, আমি, আমার জীবন, এটি কি এতোই বিশাল যে ১৬ কোটি মানুষকে নিয়ে ভাবে? আসলে তো আমার জগত, গণ্ডী অনেক ছোট। এই ছোট ব্যাপ্তিতে যে লক্ষ-কোটি ঘটনা, সমস্যা, তা নিয়েই তো ভাবার সময় নেই। খামোখা দু'টা বড় বড় বিষয় নিয়ে বড় বড় কথা বলে, বাহবা কামিয়ে কি লাভ? কি লাভ নিজেকে মিথ্যা দিয়ে সাজিয়ে? তারচে এই ভালো আমি আমার ছোট জগত নিয়ে থাকি, এর গল্পই বলি। আমার জীবনের গল্পগুলো ছোট-ছোট। হয়তো কাউকে স্পর্শ করবে না, হয়তো করবে। কেউ হয়তো ছোট-ছোট বোকামি নিয়ে হাসবে, কেউ ছোট-ছোট ভুল দেখে বিরক্ত হবে। মোটকথা এই আমি, আমার জীবন, এটার সম্পর্কে একটা ধারনা দেবার চেষ্টা করি বরং। বড়-ব...

স্মৃতি তুমি বেদানার পাতা থেকে ...

(ফেব্রুয়ারী মাসে নাগরিকে প্রকাশিত...) ভাষার মাসে (ব্যক্তিগতভাবে আমি ভাষার মাসে বিশ্বাস করি না, আমার ভাষা সারাজীবনের জন্য, প্রতিটি ক্ষণ, প্রতি মুহূর্তের জন্য।) আমার ইউনিভার্সিটি জীবনের একটা ভাষা বিষয়ক মজার অভিজ্ঞতার কথা বলতে ইচ্ছে করছে। আমাদের এই মাটি প্রায় ২০০ বছর ছিল ব্রিটিশ শাসনের অধীনে। তাই এই ভাষাটা আমাদের জীবনের সাথে অবিচ্ছেদ্য ভাবে জুড়ে গেছে। যথারীতি আমার ইউনিভার্সিটিও একটা ইংরেজি মিডিয়াম ইউনিভার্সিটি। যার একটা ভালো দিক হল, ঘটনাটা নিজের ভাষা নিয়ে না।     

আমার দুনিয়া দর্শন ....

সবাই একই রকম স্মার্ট হয়ে দুনিয়াতে আসতে পারে না। আফসোস আমি নিম্ন মানের আই-কিউ নিয়া দুনিয়াতে আসছি, তাই সেই ছোটবেলা থেকে ভুগছি।এই দুনিয়ার হালচাল আমি বেশীর ভাগ ই বুঝি না, আর বুঝলেও যেগুলা কঠিন মনে হয় সেগুলা মনে রাখতে পারি না। প্রথমেই ছোটবেলার কথা ধরা যাক, আমি যে একটা মেয়ে সেটা আমাকে বার বার মনে করায় দেয়া আর বাচ্চা মেয়েদের কার্যকলাপ বার বার শিখানো সত্ত্বেও আমি সেটা মোটেও মনে রাখতে পারতাম না । শেষ পর্যন্ত সবাই হাল ছেরে দিলো.... একটু বড় হয়ে আমি পড়াশুনার দুনিয়ায় বেশী সুবিধা করতে পারলাম না। কখনো খুব ভালো ত কখনো খুব খারাপ, খুব মনোযোগ দিয়া মুখস্থ করতে পারতাম না.... কলেজে প্রেম করা হয়নি প্রেম বুঝি না বলে.... আর এখন ত দুনিয়ার বেশির ভাগ জিনিস ই বুঝি না.... আমি যে কত মানুষকে ডিসাপয়েন্টেড করেছি সেটা ভাবলে নিজের-ই ভয় লাগে। কিন্তু এই সহজ সত্যটা কেউ বুঝে না যে এইটা ইচ্ছাকৃত না.... বরং আমার নিম্ন আই কিউ লেভেল এর জন্য।আর বুঝলেও মানুষ মোটেও মানতে চায়না যে দুনিয়াতে লো আই-কিউ নিয়াও কেউ পয়দা হইতে পারে । তো যেই কথা বলতেছিলাম  , কথা হচ্ছে আমার দুনিয়া দেখা নিয়ে আর আজকে আমি ম...

ভাবনার সেকাল আর একাল...

এখনকার মানুষের, না আসলে যুবা বয়সের মানুষদের ভাবনার গভীরতা কম বলে আনেকেই অভিযোগ করেন। আমার এই ব্যাপারে নিজস্ব একটা থিওরি আছে। আসলে মানুষের ভাবনার গভীরতা কখন বাড়বে? যখন সে ভাবার সময় পাবে। একটা সময় ছিল, যোগাযোগ বলতে কেবল চিঠিই ছিল। একটা চিঠি যেতে আর তার উত্তর আসতে সময় লাগত কমপক্ষে ৬ দিন। একটা বিশাল সময় পার হত জল্পনা-কল্পনায়, প্লানিং-এ। উত্তর কি আসতে পারে, কোন কথার উত্তরে কি লিখব, কোন কোন কথা বাকি রয়ে গেল, এসব। এছাড়া জমানো কথাগুলো এক-দেড় পৃষ্ঠার একটা চিঠিতে গুছিয়ে লিখার মত ব্যাপার-ও ছিল। কিন্তু এখন আর সেই দিন নেই। ই-মেইল যায় চোখের পলকে, কিন্তু সেটিও এখন শুধু অফিসিয়াল কাজেই ব্যবহার হয়। তারচে বেশি চলে, চ্যাট। অথবা ইচ্ছে হলেই ফোন। সেটিও আবার মোবাইল, মানুষের সাথে সাথেই ঘুরছে। তো যখন যে কথা মনে আসে ইচ্ছে হলেই বলে ফেলা যায়। চিন্তা করার সময় কোথায়? হয়তো একারণেই ভাবার সময়ও মানুষ এখন কম পায় আর ফলশ্রুতিতে, ভাবনার গভীরতাটাও কম মনে হয়। আসল কথা হল, আগে আমদের মাথায় একটা ভাবনা বা আইডিয়া আসত, সেটার রাফ ছোট-ছোট কথা জমা হত, সেটাকে ফ্রেশ করে, মনে জমে থাকা কথাগুলোই সাজিয়ে গুছিয়ে ফ্র...

আমি যখন অভিভাবক (প্রথম আভিজ্ঞতা)

কাউকে সঙ্গে করে পরীক্ষার হলে নিয়ে যাবার অভিজ্ঞতা আমার অনেক বিচিত্র। প্রথমবার আমি বিসিএস এর ভাইভা পরীক্ষা দিতে নিয়ে গেছি আমার বড় বোনকে !! এমবিবিএস পরীক্ষা পাশ করার পরও একজন কেন একা একা পরীক্ষা দিতে যেতে পারে না এবং কেন ছোট একজনকে গার্ডিয়ান হিসেবে নিয়ে যেতে হয় সেটা আমার মোটা মাথায় একটুও ঢুকেনি। যাই হোক, নিয়ে যাবার পর দেখি সব বুড়ো বুড়ো লোকজন। কারও সাথে কথা বলার সুযোগ নেই। আর যারা কথা বলতে আসে, তারা শুরুই করে "খুকি তুমি কোন ক্লাসে পড়" দিয়ে। বোরড হতে হতে যখন মনে হচ্ছিল মারা যাব তখন আমি ক্যান্টিন-এ গিয়ে বসলাম। নামেই ক্যান্টিন, আমি আমার এই জীবনে এতো নোংরা , আউট-অব-অর্ডার ক্যান্টিন আর দেখিনি। একঘন্টা বসে থাকার পর না পারতে একটা রোল অর্ডার দিলাম। রোল  দিয়ে গেল এবং সাথে এক গ্লাস পানি ফ্রি, যেটাকিনা আমারি সামনে একটা ট্যাপ থেকে ভরে দিলো। রোল-এ দু'-একটা কামড় দিয়ে বুঝলাম, খেতে পারব না, তাই গ্লাস-এর পানিতে হাত ডুবিয়ে হাতটা ধুয়ে টিস্যু দিয়ে মুছে আবার বসে আছি। এরমধ্যে একটা কাপল ভাইভা পরীক্ষা সেষ করে বের হল আর আমার সামনের সিটে ধপ করে বসে পরলো। ভঙ্গীটা স্পষ্ট... এইসব বাচ্চা-কাচ্চাদের ...

The End of an Artist...

It has been a long time since I last wrote from my day-dreams. The same story follows, what can be written. Today, I got an answer. I've always told my friends that, I'm one of the happy type person. What makes me happy? Well, I guess, most of what I wanted, has been achieved. What makes me think so? C'mon it's me, I know what I've wanted in this little life. And I'm not saying I've got everything, I'm saying, I've got most of them. For example, what does an artist want? I guess I'm going too fast. Let's ask, why does an artist creates (From my point of view, Artists are Gods of their own world. They Creat.) a piece of art? For me, it's as simple as this, 'To share their feelings. To make the people feel what They feel.' But here comes the second question, How does an artist judges his work? How do they know they are successful in this? Well obviously, through feedback. When they see, people are expressing the same emotions what h...

The Missing Link...

প্রায় সব আড্ডায়-ই দু ’ -এক জন থাকে যারা সারাক্ষন পচতে থাকে  ।  কোন কারন ছাড়াই গ্রুপের বেশিরভাগ সদস্য এই মানুষগুলোকে পচাতে পছন্দ করে  ।  ফলে এই মানুষগুলো আরো বেশি পচতে থাকে  ।  এমনকি, যখন তারা আড্ডায় থাকে না, তখনও থাদের ব্যাপারে অনেক কথা চলতে থাকে ।   বলা যায়, আড্ডার সাবজেক্ট হিসেবেও তারা খুব ভাল  ।  তাদের খুটিনাটি দোষ ধরা, তাদের বদ-অভ্যাসগুলো, বিভিন্ন খুতসমুহ, এইসব নিয়ে গবেষনায় অনেকটা সময় পার হয়ে যায়  ।  বিভিন্ন খুত ধরতে এক্সপার্ট যারা, তারা হয় মুল আক্রমনাত্বক খেলোয়াড়, বাকিরা সাপোর্টার  ।     মজা হল, গ্রুপের সবচে ’ গো-বেচারা ছেলে বা মেয়েটাও তাদের নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়ে না।   আমার ইউনিভার্সিটির ড্রামা ক্লাবেও এমন ক ’ জন আছে ।  আমি, আমরা তাদের পচাতে সারাক্ষন ব্যাস্ত থাকি ।  কেউ কেউ তাদের উপর খেপে থাকে, তাই পচায় ।  যদি এই মেম্বাররা থাকে তো ভাল কথা, না থাকলেও, কথা বলতে কেউ ছাড়ে না ।  আর খেপে থাকার কারনেই বেচারাদের দোষগুলো খুজে বের করা অনেক সহজ হয়। কিন্তু, আমি একটা মজার ব্যাপার খেয়াল করেছি ।  সেটা হল, যদিও পচানো হয়, আমাদের আড্ডার একটা বড় অংশ জুড়ে এই মানুষগুলো...

Beauty Exposer...

There are some people, some peculiar people, who likes me. I don't know if it's good-luck or bad-luck. Maybe it's peculiar luck. There are some guys who thinks, they need a little extra attention, which nobody is giving. Sometimes, I'm really confused with these guys. Are they suffering from inferiority-complex or superiority-complex. Most of the time I'm satisfied with the fact that, they are better (at least, they think) than other. And they want to be popular among others. These types of people are always trying to get attention from others. You might come across some of these types. (They are not very rare specimen in a world swarming or rather overflowing with people.) You could meet them virtually in any place. They are the type who are always trying to be little louder without any apparent reason, might have some flashy outfit or flashy outlook. In whatever form you see them, you'll find all off them are doing the same thing. They are shouting...

Me, Myself and THEM...
The little angel stories.

'Kids, kids, kids...' The angels shaped like human, aren't they? Have you ever tried to understand them? What is going on inside their minds, how they act or react on certain situation. I have a school named 'Banani Biddya-Niketon' in front of my university. In my breaks, I watch them. I find it very amusing. And now I'm planning to start a Day-Care Center after I've graduated. Somehow, the kids, always treat me as one of their own. Yes, they know that I'm older than them but they always behave like I'm their friend. So, everything runs fine with them. That's why, I like kids. I'm a good listener. And the kids always have a tendency to discuss their personal matters and problems with me. But as a friend. There not looking for advise. But, as I'm a little older than them, if I sometime comment on something, they apprichate it. Each person has a philosophic mind inside. And in a society like mine, they always try to prove themselves as phil...

Let there be light...

What do you think, if we had infrared sensing capabilities, we could see better? Or we could achieve further advancement in the development of humanity? Well I don't know, maybe we could, or maybe we couldn't. But surely it'd give us the power to see in the dark. I am sure, several times in your life; you've wanted to be able to peek in the dark. Let's think about my own experience. I was at my university area, engaged in lively chat with my friends. It was almost dark. One of my friends had his girlfriend with him. At some moments, she became furious on him and was giving him a 'If looks could burn you into ash' type look. I know her very well and believe me; she looks like something to remember for a very long time. But I also knew that, it won't last for a minute. So, I decided to take a picture of her. But no matter how hard I tried (hiding the camera from her) I could not see her through the camera to take a picture. Just because it was dark. After ...

Ladies & Gentlemen Now I present you...

Do you know what VHDL is? It stands for 'VHSIC HDL'. Which stands for ‘Very High-speed Integrated Circuit Hardware Description Language’. As the name says, this is used to design and describe digital circuits (very complex) in a easy way. Our university's engineering curriculum has an elective course named - 'VHDL Modeling & Logic Synthesis'. Well it's considered as one of the toughest courses. All the students hesitates when taking this course. But I can assure you that there is a teacher who makes the course a piece of cake. But you know, there is no guarantee that you'd have him on your course. What should you do then. No problem. All you have to do is to go to road No. 21, Bloc-B, Banani, in front of house No. 76, 78 (which is another university.). Then you should find a little guy. The best way to recognize him is to start yelling - 'Hamba Hamba' and you'd hear a loud laughter. The laughing person is him. You'll find him with a cup o...

Great minds behind the Sign-board...

Ever thought about the people behind the marketing concepts? Consider about a simple logo. Ever thought how a designing is done? I know that, those who do this type of job are great minds. And a simple sign-board kept me wondering about 2 hours to get the idea. You can see a portion of it. It contains a logo of a university. Well as you can see, this is a logo of an educational institution. A university, as it says. As the slogan says, 'A carrier minded university'. The name is given in the logo- 'The University of South Asia'. Have you thought about the factors which had to be considered on designing its logo? I guess no. Well let me put some light in your thoughts. The easiest way of designing a logo is to take the initial letters of the words forming the name (i.e.- get the Acronym). Like BBC for British Broadcasting Company. Now if we take the initial letters of this university then it becomes USA. Well, it can't be taken because though it's not copyrighted ...